Wednesday, October 7, 2009
আল্লাহ যদি তোমাকে কোন বিপদে নিক্ষেপ করেন, তা হলে এমন কেউ নাই যে সেই বিপদকে দূর করে দিতে পারে। আর তিনিই যদি তোমার জন্য কোন কল্যাণের ইচ্ছা করেন, তা হলে তাঁর এই অনুগ্রহকে প্রত্যাহার করতে পারে এমনও কেউ নাই। তিনি তাঁর বান্দাহদের মধ্য হতে যাকে চান, স্বীয় অনুগ্রহ দানে ভূষিত করেন। আর তিনি ক্ষমাশীল ও অনুকম্পাকারী।
(সুরা ইউনুস ১০ : ১০৭)
Tuesday, October 6, 2009
আজ আমি স্তম্ভিত হয়ে গেলাম এই ভিডিওটা দেখে। এর মূল জিনিস হলো শোনার ব্যাপারটা,
আমার অনুরোধ, পারলে শুনুন
এইখানে লিঙ্ক, ক্লিক করুন
অনুভূতি প্রকাশ করতে পারছিনা...
এখন সম্ভব না
Posted in
Monday, September 21, 2009
আজ ঈদ উল ফিতরের দিন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের অশেষ রাহমাতে আরেকটি ঈদ পেলাম এই জীবনে। আমার পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা। সেই সাথে আরেকটি হাদিস জানিয়ে দিই...
রাসুলুল্লাহ(স) বলেছেন,
যখন ঈদ-উল-ফিতর ঘনিয়ে আসে, তখন ফেরেশতারা আনন্দ করতে থাকেন। আল্লাহতাআলা তাঁদের ডেকে বলেন, “আমার ফেরেশতারা! বলতো, যেসব শ্রমিক তাদের কাজ সঠিকভাবে আদায় করেছে, তারা কী প্রতিদান পেতে পারে?” ফেরেশতারা জবাব দেন যে তারা পুরো পুরষ্কারটুকুই পেতে পারে। তখন আল্লাহ বলেন, “তোমরা সাক্ষী থাকো, আমি তাদের সকলকেই ক্ষমা করে দিলাম।”
আল্লাহ আমাদের ক্ষমাপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হবার তাওফিক দান করুন। আল্লাহর কাছে দোয়া করি যেন জীবনে আরেকটি রামাদান আর ঈদ পাই। আমরা সবাই যেন পাই...
Posted in
Tuesday, August 25, 2009
“রোযা” শব্দটি ফার্সী ভাষা থেকে আগত। আরবীতে বলা হয় “সাওম”। এক কথায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পানাহার ও স্ত্রী সহবাস বন্ধ রাখার নাম সাওম।
পৃথিবীতে যত নবী রাসুল আল্লাহ প্রেরণ করেছেন সবার উম্মতগণের উপর রোযা ফরয ছিল। অবশ্য রোযার হুকুম-আহকাম, রোযার সংখ্যা এবং তার সময়ের ব্যাপারে বিভিন্ন নবীদের শরীয়তে পার্থক্য ছিল। উপরোক্ত বাক্যের সত্যতা পাওয়া যায় কোরআনের নিক্ত আয়াত থেকে, আল্লাহ ত’আলা সুরা বাকারার ১৮৩-১৮৫ নং আয়াতে বলেছেন,
হে ঈমানদারগণ! তোমাদের জন্য রোযা ফরয করা হয়েছে যেমন ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতগণের, উপর যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার।
মানুষের জীবনের আসল উদ্দ্যেশ্য হচ্ছে পরকালের জীবনে সাফল্য অর্থাৎ জান্নাত লাভ করা। আর সাফল্য লাভ করতে হলে দরকার আল্লাহর সন্তুষ্টি। এই সন্তুষ্টি লাভ করা যায় শুধুমাত্র আল্লাহর ইবাদতের মাধ্যমে। আল্লাহ দুনিয়ায় মানুষের কাজ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনের সুরা আয-যারিয়াতের ৫৬ নং আয়াতে বলেছেন,
আমি জ্বিন ও মানব জাতিকে কেবলমাত্র আমার ইবাদতের জন্যই সৃষ্টি করেছি।
ঈমানদারদের জন্য হাদীসে কুদসী তে আল্লাহ সুসংবাদ দিয়ে বলেছেন,
রোযা শুধুমাত্র আমার জন্য, আমি নিজেই এর প্রতিদান দেব।
আমাদের করণীয়ঃ
রাসূল (সাঃ) বলেছেন-
যে ব্যাক্তি তার দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী স্থান অর্থাৎ জিহ্বা এবং দুই উরুর মধ্যবর্তী অংগ(লজ্জাস্থান) হিফাযত করবে আমি তার জন্য জান্নাত নিশ্চিত করে দিলাম। --বুখারী
এছাড়া কথাবার্তায় সংযত হবার শিক্ষা পাই আমরাঃ
তোমরা যখন রোযা রাখবে, তখন অশ্লীল কথা বার্তা বলবে না এবং ঝগড়া-ফ্যাসাদ করবে না। --বুখারী-মুসলিম
যে(রোযাদার) ব্যাক্তি মিথ্যা কথা ও কাজ ত্যাগ করতে পারলনা, তার খানাপিনা ত্যাগ করায় আল্লাহর কাছে কোন মূল্য নেই। --বুখারী
বলো- তিনি সেইজন যিনি তোমাদের বিকশিত করেছেন, আর তোমাদের জন্য বানিয়েছেন শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি ও অন্তঃকরন। তোমরা যা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর তা যৎসামান্য। --সূরা মুলক(২৩)
আর যে বিষয়ে তোমার কোন জ্ঞান নেই তার অনুসরন করো না। নিঃসন্দেহে শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি ও অন্তঃকরন-এদের প্রত্যেকটিকে তাদের সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করা হবে। --সূরা বনী-ঈসরাইল(৩৬)
কোরআনুল কারীমে আল্লাহ বলেছেন,
হে রাসূল! আপনি বলে দিন মুমিন পুরুষরা যেন তাদের চোখ অবনমিত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থান সমূহের হেফাজত করে।
মুমিন নারীদের ক্ষেত্রেও এরকম বিধান জারি করা হয়েছে। চোখ দিয়ে দেখার পর মানুষ তার প্রতি আকৃষ্ট হতে পারে। এজন্য ইসলাম দৃষ্টি অবনমিত রাখার ব্যাপারে নির্দেশ দিয়েছে। অবশ্য হঠাৎ দৃষ্টি নিপতিত হলে সংগে সংগে ফিরিয়ে নিতে হবে।
এসব শিক্ষা আমরা জীবনে প্রয়োগ করে সুন্দর আর অর্থপূর্ণ জীবন গড়বো ইনশাআল্লাহ।
Posted in
Wednesday, August 5, 2009
কিছু সুন্দর বাক্য হঠাৎ হঠাৎ মনে পড়ে যায়... দারুণ লাগে... কিছু গানের কথা যেমন মাঝে মাঝেই মাথায় ঘুরে... জানিনা কাদের গান, ছেলেবেলাতে শুনেছিলাম। স্মৃতির কোন এক জায়গায় হয়ত বিঁধে ছিলো, সময়-সময় জানান দেয় আমাকে আর কিছু অনুভূতি উপহার দেয় আমারই স্মৃতিরা......
তুমি কি ওই দূর নীলিমা
হাত বাড়ালে ছোঁয়া যাবেনা
নাকি তুমি রাত্রির স্বপ্ন
ঘুম ভাঙলে আর কাছে পাবো না।
------------------------------
সূর্যটা আলো দিয়ে প্রভাতের ঘুম ভাঙায়
রংধনু ভেসে ওঠে সূর্যকে স্বাগত জানায়
প্রজাপতি রঙে রঙে আবীরের মালা গেঁথে যায়...
-----------------------------------
আমার হৃদয়ে তুমি নদীর মত
কখনো নির্ছোঁয়া ওই দূর দিগন্ত
কখনো উদাস কোকিল কখনো দোয়েল হয়ে
আছ মিশে নিঃশ্বাসে, ভালোবেসে...
-----------------------------------
আকাশের নীলে
হৃদয় তুলিতে
তোমায় এঁকে যাই
নীল বেদনায়
হৃদয়ের আলোয়
তারার দীপ জ্বেলে
জেগে রয়েছি
তোমারি আশাতে
কত বৃষ্টি ঝরে যায়
হৃদয়ের আঙ্গিনায়
সঙ্গিহীনতায়...
Posted in
এই দূর পরবাসে তারা গুণে আকাশে আকাশে
কাটে নিঃসঙ্গ রাত্রিগুলো
মাঝে মাঝে স্বপ্নের বেশে স্মৃতিরা এসে
আমাকে করে যায় বড় বেশি এলোমেলো।
মনে পড়ে যায় বন্ধুদের আড্ডা মুখর প্রহর
তুমুল উল্লাসে ভরা প্রিয় শহর
হয়তবা সেখানে সবাই
ব্যস্ত, মেলেনা সময়
তবু সেখানে ফিরে যেতে চায়
আমার এ হৃদয়
এই একাকী জীবন
ভালো লাগে না আমার
বিষণ্ণ দিনের শেষে,
বিষণ্ণ রাতের শেষে...
এই দূর পরবাসে তারা গুণে আকাশে আকাশে
কাটে নিঃসঙ্গ রাত্রিগুলো...
মনে পড়ে যায় কখনো পুরনো তোমাকে
প্রতিটি কষ্টমাখা দিনের ফাঁকে
হয়ত বদলে গেছ
হয়ে গেছ অচেনা তুমি
তবু সেখানেই ফিরে যেতে চায়
আমার এ হৃদয়।
এই একাকী জীবন
ভালো লাগে না আমার
বিষণ্ণ দিনের শেষে,
বিষণ্ণ রাতের শেষে...
এই দূর পরবাসে তারা গুণে আকাশে আকাশে
কাটে নিঃসঙ্গ রাত্রিগুলো...
এই গানটি আশিকুজ্জামান টুলু-এর গাওয়া খুব সম্ভব। মনে পড়ছে না। স্মৃতি হাতড়ে বের করলাম কথাগুলো... শুধু প্রথম অন্তরাটা কখনই ভুলিনা।